সংবাদ শিরোনামঃ
সুন্দরবনের ‘নানা ভাই’ বাহিনীর মিন্টু ডাকাতের মৃত্যুর খবরে উপকূলে চাঞ্চল্য, স্বস্তির কথা জানাচ্ছেন বনজীবীরা কালিগঞ্জে নাশকতা মামলায় ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার দুই কালিগঞ্জে ৫৫টি মন্ডপে তৈরী হচ্ছে দূর্গাপ্রতিমা বিশেষ আকার্ষণ আমিয়ান মন্ডপে কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে জাতীয়তাবাদী মৎসীজীবি দলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগর,গাবুরায় সকারফাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে গাইনবাড়ী গোল্ডেন বয়েজ ক্লাব চ্যাম্পিয়ন শনিবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন আড়পাংগাশিয়া দুর্গামন্দিরে টানেলের ভেতর দিয়ে দেখা যাবে দুর্গাপ্রতিমা দেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শাঁখরা-কোমরপুর বেইলি ব্রিজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন,খুব শিগগিরই এখানেই পাকা ব্রিজ নির্মাণ করব,আলহাজ্ব আব্দুর রউফ কয়রায় কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করণ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী এবং চেক ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ
বাগেরহাটে বাঘের আক্রমণে আহত জেলে অনুকুল গাইনের মৃত্যু

বাগেরহাটে বাঘের আক্রমণে আহত জেলে অনুকুল গাইনের মৃত্যু

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃবাঘের আক্রমণের শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টানা ২১দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছেন জেলে অনুকুল গাইন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যু হয় তার। শনিবার সকালে তার মরদেহ আমুরবুনিয়ার বাড়ীতে এসে পৌঁছায়। তারপর বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের জিউধারা ষ্টেশন (মোংলা) কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান জানান, গত ২৭ জানুয়ারী সুন্দরবনে সুদীরেরচিলা খালে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের আক্রমণের শিকার হন বন সংলগ্ন আমুরবুনিয়া গ্রামের জেলে অনুকুল গাইন (৩০)। এরপর তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মোড়েলগন্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারপর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খুলনা থেকে ঘটনারদিনই পাঠানো হয়েছিলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

অনুকুল গাইন আমুরবুনিয়া গ্রামের মৃত মুকুন্দ গাইনের ছেলে। ১৫ বছর আগে মুকুন্দ গাইন ছেলে অনুকুল ও তার স্ত্রীকে রেখে মারা যান। পিতার মৃত্যুর পর অনুকুল বিছানাশায়ী বৃদ্ধা মাকে নিয়ে জীবনযাপন করে আসছিলেন। মা-ছেলের সংসারে সুন্দরবনে মাছ ধরে জীবিকা চলতো অনুকুল পরিবারের। বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা এখন দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়েছেন।

বন কর্মকর্তা শাহজাহান বলেন, মাছ ধরতে গেলে বাঘের আক্রমণে অনুকুলের পিঠের বাম পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে পেটের নাড়ী বের হয়ে যায়। পরে গামছা দিয়ে বেঁধে নেয়া হয়েছিলো হাসপাতালে। চিকিৎসার অনেক চেষ্টার পরও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার রাতে মারা যান অনুকুল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *